[english_date], [bangla_date]

হাটহাজারী মাদ্রাসার প্রধান থাকবেন আহমদ শফী

Saturday, 15/07/2017 @ 12:50 pm

নিউজ ডেস্ক : দেশের বৃহৎ ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারক কমিটি ‘মজলিসে শূরা’র বৈঠক শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরীকে সহকারী পরিচালক, আল্লামা মুফতী নূর আহমদকে শিক্ষাসচিব এবং মাওলানা আনাস মাদানীকে সহকারী শিক্ষাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসা মহাপরিচালকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শূরার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
আহমদ শফীর প্রচার সচিব মাওলানা মুনির আহমদের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আমৃত্যু আহমদ শফী দেশের সর্ববৃহৎ এই কাওমি মাদ্রাসার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, প্রায় ৩ ঘণ্টা ব্যাপী বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা বিভাগ, হিসাব বিভাগ ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের উপর দীর্ঘ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষা করা হয়। বৈঠকে শূরার সকল সদস্য শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আমদদ শফীর সুদক্ষ পরিচালনায় দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসার অভূতপূর্ব উন্নতি, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা এবং স্বচ্ছ ও সুন্দর ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসাথে শূরা সদস্যরা আল্লামা শাহ আহমদ শফী’র আশু রোগমুক্তি ও দীর্ঘ হায়াতের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করেন।
মজলিশে শূরার বৈঠকে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমান মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফী’র শারীরিক অসুস্থতার দিকটি বিবেচনায় এনে তাঁকে দৈনন্দিন কাজে সহযোগিতা করার জন্য আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরীকে সহকারী পরিচালক হিসেবে নিযুক্তি দেওয়া হয়। অন্যদিকে আল্লামা মুফতী নূর আহমদকে শিক্ষাসচিব এবং মাওলানা আনাস মাদানীকে সহকারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
আল্লামা শাহ আহমদ শফী অবসরে যাচ্ছেন বলে কয়েকটি সংবাদপত্রে পরিবেশিত সংবাদকে চরম বিভ্রান্তিকর আখ্যা দিয়ে মজলিশে শূরার সদস্যরা একমত পোষণ করে বলেন যে, বর্তমান মহাপরিচালকের জীবদ্দশায় কাউকে কখনোই ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হবে না।
দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসার ইতিহাসে এমন নজির নেই। দুপুর ১২টায় দোয়ার মাধ্যমে মজলিশে শূরার বৈঠক শেষ হয়।
৯৪বছর বয়সী আহমদ শফী গুরুতর অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন ঢাকা ও চট্টগ্রামের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে মাদ্রাসায় ফিরেছেন।