[english_date], [bangla_date]

সফল প্রশিক্ষণার্থীদের চাকরি স্থায়ী করা হবে

Sunday, 16/07/2017 @ 5:28 am

নিউজ ডেস্ক : কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেছেন, কারারক্ষীদের আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারাগারে একটি সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠান বিধায় দায়িত্বশীল মনোভাব নিয়ে কর্তব্য পালন করতে হয়। কারাগারে দায়িত্ব পালন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ভিন্নতর ও চ্যালেজিং। নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি বর্তমানে কারাগার বন্দিদের প্রতি মানবিক আচরণ প্রদর্শন ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে অপরাধীদের সংশোধন পূর্বক সমাজে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। আর এ ধরণের উদ্যোগে সফল করতে হলে কারারক্ষীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা অতি জরুরি একটি বিষয়। আমি মনে করি দক্ষতা বৃদ্ধির নিয়মক হলো প্রশিক্ষণ।
শনিবার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারা কমপ্লেক্স চত্বরে ৫০তম কারারক্ষী ও মহিলা কারারক্ষীদের ২৬ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে কারা উপ-মহাপরিদর্শক ও কারা প্রশিক্ষণ একাডেমির কমান্ডেন্ট মো. বজলুর রশীদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এতে প্রধান প্রশিক্ষক কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১এর সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা, হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. মিজানুর রহমান ও কারাগার-২ এর সিনিয়র জেলা সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আইজি প্রিজন আরো বলেন, আমরা সকলেই জানি কারাগার বিচার ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সমাজে শান্তি-শৃঙখলা রক্ষার্থে ও অপরাধ দমনে কারাগার অন্যান্য সংস্থার ন্যায় ভূমিকা পালন করে চলেছে। কারা প্রশাসনের সক্ষমতার বৃদ্ধির লক্ষে সরকার রাজশাহীতে কারা প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে এবং ৭৪ কোটি টাকার বরাদ্ধ প্রদান করেছে।
তিনি বলেন, একজন ইউনিফর্ম চাকরিজীবী হিসেবে কারারক্ষীদের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা খুবই জরুরি। অন্যত্থায় পেশাগত দায়িত্বপালন দুরূহ হয়ে পড়বে। দীর্ঘ ৬ মাসের এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। এখানে শিথীলতা প্রদর্শনের কোন সুযোগ নেই। কেবলমাত্র সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদেরই চাকরিতে স্থায়ী করা হবে। যারা কৃতকার্য হতে ব্যর্থ হবে তাদেরকে চাকরি প্রদানের কোন সুযোগ নেই।