হঠাৎ শ্বশুরবাড়ি ছাড়লেন রানি মুখার্জি

0
198
rani mukherjee age
rani mukherjee age

এক সময়কায়ের বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রানি মুখার্জি। বিয়ে করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক যশ চোপড়া ছেলে আদিত্য চোপড়াকে।

এরই মধ্যে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছে এই দম্পতি।

 

বিয়ের পর থেকে স্বামীর সঙ্গে চলচ্চিত্র পরিচালক যশ চোপড়ার মুম্বাইয়ের সবচেয়ে অভিজাত এলাকা জুহুর বিশাল বাংলোতেই থাকছিলেন রানি। এরই মধ্যে জন্ম নেয় তাদের কন্যা আদিরা।

 

যশ চোপড়ার মৃত্যুর পর শাশুড়ি পামেলা চোপড়া ও দেবর উদয় চোপড়াকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতেই থাকতো এই দম্পতি। কিন্তু কদিন আগে জানা গেল, শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে নতুন বাড়িতে উঠেছেন রানি ও আদিত্য চোপড়া।

 

জানা যায়, মেয়ে আদিরার জন্মের পরেই নাকি নতুন বাড়িতে উঠে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন রানি-আদিত্য দম্পতি। সম্প্রতি সেই বাড়িতে চলেও গিয়েছেন আদিত্য-রানি।

কিন্তু হঠাৎ কেন এই বাড়ি বদল? কী কারণে নতুন বাড়িতে গেলেন তারা? এর জবাব খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, বাড়ি বদলের আসল কারণ।

 

শাশুড়ি পামেলার সঙ্গে বেশ ভালো সম্পর্ক রানির। দেবর উদয়ের সঙ্গেও তাই। কিন্তু মেয়ে আদিরাকে লাইমলাইট থেকে দূরে রাখতে চান দু’জনে। চোপড়াদের বাংলোতেই যশরাজের অফিস।

 

আর তাই সারাদিন অনেক লোকের আনাগোনা লেগেই থাকে। সেইসঙ্গে ক্যামেরার ঝলকানি তো থাকেই। আর সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলাদা বাড়িতে উঠলেন রানি। এই পরিবেশে মেয়েকে বড় করতে চান না রানি ও আদিত্য।

আরও পড়ুনঃ কেনও ক্যাটরিনার উপর এত ক্ষুব্ধ সালমান খান!

আর তাই নিজেদের বাংলোর কাছেই আরও একটা বাড়ি কিনে সেখানে চলে গিয়েছেন তারা। বাড়ি কাছে নেওয়া হয়েছে, যাতে আদিত্যরও সুবিধা হয়, আবার পামেলাও ইচ্ছে করলেই নাতনিকে গিয়ে দেখে আসতে পারেন।

 

কোনো কিছু দরকারে দু বাড়ির লোক এক জায়গায় সহজেই হতে পারে। আর তাই ছেলে-ছেলের বৌয়ের এই সিদ্ধান্তে না করেননি পামেলাও।

 

বলে রাখা ভালো, ২০১৪ সালে ইতালিতে বিয়ে হয় আদিত্য চোপড়া ও রানি মুখার্জির। পরের বছরই তাদের মেয়ে আদিরার জন্ম। তার বয়স ৪ বছর হয়ে গেলেও এখনো পাপারাজ্জির হাত থেকে বেশ দূরেই তাকে রেখেছেন রানি।

 

২০১৬ সালে আদিরাকে প্রথম সবার সামনে দেখা যায়। তারপর থেকে পরিবারের মধ্যেই বড় হচ্ছে সে। আর মেয়ের এই সাধারণ জীবনের জন্যই আলাদা করে বাড়ি নিলেন বাবা-মা।

 

সূত্র: ডেইলি হান্ট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here