দক্ষিন-পূর্ব এশিয়া জুড়ে ম্যালেরিয়ার ভয়াবহ বিস্তার

0
319
malaria mosquito
malaria mosquito

“ইউনাইটেড কিংডম এবং থাইল্যান্ড এর একদল গবেষকদের মতে ম্যালেরিয়ার পরজীবি খুব দ্রুত হারে বিস্তার লাভ করছে সমগ্র দক্ষিন-পূর্ব এশিয়া জুড়ে।”

এই পরজীবি কম্বোডিয়া থেকে লাউস, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে বিস্তার করছে যেখানে অর্ধেকের মত রোগী প্রথম/ প্রাথমিক পর্যায়ের ঔষধে আরোগ্য লাভ করছে না।
ম্যালেরিয়া সাধারনত দুটি ড্রাগ এর সমন্বয়ে চিকিৎসা করা হয় -(আর্টেমিসিনিন এবং পিপেরাকুইনে) ২০০৮ সালে আর্টেমিসিনিন এবং পিপেরাকুইনে ঔষধের সমন্বয়ে ম্যালেরিয়া নিরাময়ের জন্য প্রথম পরিচিত হয় কম্বোডিয়াতে, কিন্তু ২০১৩ সালে পশ্চিম কম্বোডিয়াতে এই ম্যালেরিয়া পরজীবি মিউটেশন ঘটায় এবং প্রতিরোধক হয়ে যায় আর্টেমিসিনিন এবং পিপেরাকুইনের বিরুদ্ধে।
পরবর্তিতে এটি বিস্তার লাভ করে সমগ্র কম্বোডিয়া জুড়ে, পরবর্তিতে লাউস, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে।

কিছু কিছু এলাকায়, ম্যালেরিয়ার পরজীবি ৮০ শতাংশ রোগটির চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত ঔষধ প্রতিরোধী হয়ে উঠছে । যার মানে হলো তারা এই দুটি ঔষধের -(আর্টেমিসিনিন এবং পিপেরাকুইনে) বিরুদ্ধে শক্তিশালী হয়ে যায়।

ম্যালেরিয়ায় করণীয়:-

ইনফেকশন হওয়ার পর সঠিক চিকিৎসা-ই পারে ম্যালেরিয়া থেকে মুক্তি দিতে। গবেষকদের মতে রোগীরা যেই ঔষধ সেবন করছে সংক্রামন এর পরে সেগুলো অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ ডেঙ্গু থেকে বাচাঁতে পারবে নারিকেল তেল মাখা ও পেঁপে পাতার রস?

গবেষকরা আরও বলেন ম্যালেরিয়া পরজীবির – জেনেটিক বিশ্লেষন ডাক্তারদের সাহায্য করবে সঠিক ঔষধের মাধ্যমে রোগীদের আরোগ্য নিশ্চিত করতে।

ম্যালেরিয়ার উপসর্গ:-

১। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং কাঁপুনি দিয়ে জ্বর
২। অতিরিক্ত ঘাম
৩। ঠান্ডা লাগা
সময়মত সঠিক চিকিৎসা না নিলে ম্যালেরিয়া পরজীবি শ্বাসকষ্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং আভ্যন্তরীন অঙ্গের ক্ষতি করবে।
একটি জরিপে বলা হয়েছে “প্রতিবছর ম্যালেরিয়া কারনে ৪,৩৫,০০০ মানুষ মারা যাচ্ছে যাদের মধ্যে বেশিরভাগ শিশু এবং বয়স ৫ বছরের নিচে।”
উল্লেখ্য যে উক্ত দেশ গুলোতে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ পর্যটক ভ্রমনে যায়, সে ক্ষেত্রে সকলকে ম্যালেরিয়া থেকে সতর্ক থাকতে বলছেন চিকিৎসাবিদরা ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here