রংপুরসারাদেশ

একুশে’র চেতনা কে ধারণ করতে গাইবান্ধায় দেশের সর্ববৃহৎ আলপনা উৎসব

অমর ২১ ফেব্রæয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গাইবান্ধায় শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ আলপনা উৎসব এবং রক্তদান কর্মসূচি। সংক্ষিপ্ত আলোচনা এবং বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন এবং পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
‘‘মেধা, শ্রম ও সম্প্রীতি আগামীর গাইবান্ধা বিনির্মানের প্রতিশ্রুতি’’ এই শ্লো-গান কে সামনে রেখে শক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গাইবান্ধা পৌর শহীদ মিনারে শুরু হলো আলপনা উৎসব। পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস এসাসিয়েশন অব গাইবান্ধা (পুসাগ) কর্তৃক আয়োজিত আলপনা উৎসবে সার্বিক সহযোগিতা করেন গাইবান্ধা পৌরসভা এবং বিশেষ সহযোগিতা করেন গণ উন্নয়ন কেন্দ্র।

পুসাগ এর সভাপতি হোসেন মোহাম্মদ জীম জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জম্মশতবার্ষিকি মুজিববর্ষ উপলক্ষে গাইবান্ধা জেলাকে সারা বাংলাদেশে তুলে ধরতে সর্ববৃহৎ আলপনা আঁকার পরিকল্পনা আমরা করেছি। সেই লক্ষ্যে আমরা পুসাগ সংগঠনের আওতায় ৩৩টি সরকারি বিশ^বিদ্যালয় এবং ১১টি মেডিকেল কলেজের ১ হাজার ৩০০ জন শিক্ষার্থী প্রায় ১০ কিঃ মিঃ আলপনা আঁকার কাজ আজ থেকে আমরা শুরু করছি। একুশের চেতনাকে ধারন করে ইতিপূর্বে বাংলাদেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ে প্রায় ৪ কিঃ মিঃ আলপনা আঁকা হয়েছিল। এবছর ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আমরা প্রথমে গাইবান্ধা পৌরসভায় আমাদের মেধা এবং শ্রম দিয়ে আলপনা আকাঁ সম্পন্ন করবো, তারপর গাইবান্ধা-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের উপর প্রায় ১০ কিঃ মিঃ সর্ববৃহৎ আলপনা দৃশ্যমান করবো। আলপনা আকাঁ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি প্রভাত ফেরীতে গাইবান্ধার নবনির্বাচিত মেয়র মো. মতলুবার রহমান অংকিত আলপনার দ্বার উম্মোচন করবেন।

উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন বলেন, পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস এসাসিয়েশন অব গাইবান্ধা (পুসাগ) এর একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নিশ্চই মুজিববর্ষে এটি একটি শুভ উদ্যোগ। আমি গাইবান্ধার সাংবাদিকমহলকে এই উদ্যোগের কথা সারা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। পুসাগ এর যেকোন ভালো উদ্যোগের সাথে আমরা থাকবো। সংগঠনের সকলকে আগামী দিনেও এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পুসাগ গাইবান্ধা কর্তৃক আয়োজিত মহান ২১ ফেব্রæয়ারি মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদদের স্মরনে আলপনা উৎসব একটি মহৎ উদ্যোগ। এমন উদ্যোগ গ্রহনের জন্য পুসাগকে ধন্যবাদ জানাই। একই সাথে তাদের অন্যান্য সামাজিক উদ্যোগ গ্রহনের সফলতা কমনা করছি।

আলপনা উৎসবের উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, পুলিশ প্রশাসন এবং ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এই জাতীয় আরো খবর

Back to top button