আইন ও আদালতজাতীয়বিশেষ প্রতিবেদনলিড নিউজসারাদেশহাইলাইটস

নিশান গ্রুপ ও আরএইচপি সুপার সপ এর ডিজিটাল ফাঁদ

পণ্য নয়, অপেক্ষা এখন শুধুই ‘অর্থ’ ফেরত পাওয়ার

নূরুদ্দীন শেখ ও রানা সরকার: ২০১০ সালে এমএলএম প্রতিষ্ঠান ডেসটিনিতে পণ্য কিনতে দেড় লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন বেলাল হোসেন। বহু ধাপ বিপণন ব্যবস্থায় কয়েক মাসে ১৫ হাজার টাকা আয় করেন। এভাবে লাভ দেখে আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার করে আরও দেড় লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন তিনি। এরপর একদিন হঠাৎ করে লাভের টাকা আসা বন্ধ হয়ে যায়। লাল বাতি জ্বলে ডেসটিনিতে। ডেসটিনির বেলালের মতো কয়েক লাখ মানুষ ইউনিপে টু ইউ, নিউওয়ে যুবকসহ বিভিন্ন এমএলএম কোম্পানিতে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে নিঃস্ব হয়েছেন।

অতি লোভে কষ্টের জমানো অর্থ হারানো মানুষের স্রোত বন্ধ হয়নি। মাত্র ছয়মাস আগে একটি গ্রামের কৃষক, দিনমজুর, ভ্যানচালক, প্রবাসীর স্ত্রী, চায়ের দোকানদারসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার কমপক্ষে দুই শ’ গ্রাহক দ্বিগুণ মুনাফার লোভে বিনিয়োগ করেছিলেন আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জে। প্রায় ১৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে প্রতারণার ফাঁদে পড়া সবাই টাঙ্গাইলের সখীপুরের এক গ্রামেরই বাসিন্দা। যাদের প্রায় সবাই মোটরসাইকেল অর্ডার দিয়েছিলেন ই-অরেঞ্জে।

টাঙ্গাইলের আরেক উপজেলা ভূঞাপুরের শতাধিক মানুষকে অন্তত ২০ কোটি টাকার পণ্যের অর্ডার দিয়েছিলেন আলোচিত ই-কমার্স ইভ্যালিতে। যার অর্ধেক পণ্যের ক্রয়াদেশ মোটরসাইকেলের। এভাবেই দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্বিগুণ, তিনগুণ লাভের সহজ ফাঁদে পড়া কিছু মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলেন অস্তিত্বহীন ই-কমার্স কোম্পানিগুলোতে। লোভের লাভে এখন ফতুর গ্রাহক। কোম্পানিগুলো দেউলিয়ার পথে। পণ্য নয়, অপেক্ষা এখন শুধুই ‘অর্থ’ ফেরত পাওয়ার।

প্রতারণার নতুন কৌশল নিশান গ্রুপের প্রতারণার কৌশল নিম্নে তুলে ধরা হলো

(১) বেসিক প্যাকেজ ঃ গ্রাহকের বিনিয়োগ আটশত টাকা, দৈনিক আয় ১০ টাকা, দৈনিক কাজ একটি বিজ্ঞাপন দেখা।
(২) সিলভার প্যাকেজ ঃ গ্রাহকের বিনিয়োগ সাত হাজার দুইশত টাকা, দৈনিক আয় ১০৫ টাকা, দৈনিক কাজ একটি বিজ্ঞাপন দেখা।
(৩) প্লাটিনাম প্যাকেজ ঃ গ্রাহকের বিনিয়োগ পয়ত্রিশ হাজার দুইশত টাকা, দৈনিক আয় ৫২৫ টাকা, দৈনিক কাজ একটি বিজ্ঞাপন দেখা।
(৪) গোল্ড প্যাকেজ ঃ গ্রাহকের বিনিয়োগ সত্তর হাজার তিনশত টাকা, দৈনিক আয় ১০৫০ টাকা, দৈনিক কাজ একটি বিজ্ঞাপন দেখা।
(৫) ডায়মন্ড প্যাকেজ ঃ গ্রাহকের বিনিয়োগ এক লক্ষ চল্লিশ হাজার দুইশত টাকা, দৈনিক আয় ২১০০ টাকা, দৈনিক কাজ একটি বিজ্ঞাপন দেখা।
(৬) ভিআইপি প্যাকেজ ঃ গ্রাহকের বিনিয়োগ তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার দুইশত টাকা, দৈনিক আয় ৫২৫০ টাকা, দৈনিক কাজ একটি বিজ্ঞাপন দেখা।

প্রতিষ্ঠানটির পেমেন্ট অপশন হিসেবে রয়েছে বিকাশ, নগদ, রকেট এবং ব্যাংক আকাউন্ট। অফারে রয়েছে, গ্রাহক পেমেন্ট পাবেন ১ (এক) দিনের মধ্যেই, রেগুলার আইডির গ্রাহকরা নিজেদের আইডিতে ৩০০ টাকা হলেই তুলতে পারবেন টাকা। তবে অন্য প্যাকেজের আইডি কেনার এক মাস পর টাকা তুলতেন পারবেন অন্য গ্রাহকরা।

নরসিংদীর রায়পুরা এলাকায় আরএইচপি সুপার শপ নামক একটি প্রতিষ্ঠান খুলে অবৈধ এমএলএম ব্যবসায় পরিচালনা করছেন একসময়ের হকার হানিফ মিয়া। অনুসন্ধানে জানা যায় হানিফ মিয়া ০৭ হাজার টাকা বেতনে একটি কোম্পানিতে বিক্রয় প্রতিনিধি হয?ে যুক্ত ছিলেন। ছিলেন কয?েকটি এমএলএম কোম্পানি তে যুক্ত সেই সুবাদে নিজেই আরএইচপি সুপার সপ নামক একটি প্রতিষ্ঠান খুলে তিনি শুরু করেন প্রতারণার ব্যবসা। অল্পকিছুদিন ব্যবসা করে হাতিয?ে নিয?েছে সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা যার একটি অংশ হচ্ছে ৩.৫কোটি টাকা গার্মেন্টসে এলসি করা।

তার এলাকার সাধারণ মানুষের প্রশ্ন স্কুলের গন্ডি না পেড়োনো ছেলেটি এত কোটি টাকার মালিক হলো কিভাবে? আমাদেরও একই প্রশ্ন। তার আছে একটি নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী, যাদের কাজ হচ্ছে ভুক্তভোগী আসলে অথবা সংবাদকর্মী আসলে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়া। আরএইচপি সুপার শপ নামক একটি মুদি দোকান দিয়ে এই প্রতারণার চালিয়ে যাচ্ছে সে, কিন্তু তার মুদি দোকানে প্রতিদিন বিক্রি হয় ৫০ থেকে ১০০ টাকা যা তার কর্মচারীর বক্তব্য থেকে পাওয়া যায়।

প্রতারক হানিফ আরএচপি নামক একটি সফটওয়্যার দিয়ে এই প্রতারণা করে আসছিলো, সফটওয়্যার টি বাইরে থেকে ছিল ই-কমার্স কিন্তু লগইন করার পরে হয়ে যেত এমএলএম, দৈনিক বিজয় বাংলাদেশের একটি ক্রাইম নিউজ অনুসন্ধানি টিম অনুসন্ধানে যাওয়ার পর থেকেই তার আরএসপি নামক সফটওয়্যারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত সব ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম একই পথ অনুসরণ করেছে। প্রথম দিকে তারা অগ্রিম অর্থ নিয়ে মোটা অঙ্কের মূল্য ছাড়ের পণ্য সরবরাহ করে। কয়েক মাস বাদে যখন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গ্রাহক এতে আকৃষ্ট হয়, তখন তারা পণ্যও দেয়নি, টাকাও ফেরত দেয়নি।

চলমান মহামারী ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য একটা আশীর্বাদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যার বিপরীতে এমন একটি বিতর্কিত বাণিজ্যিক মডেল দাঁড়িয়েছে। যার শুরুটা হয় ই-ভ্যালির মাধ্যমে। এটা ছিল অনেকটা হ্যামিলনের বংশীবাদকের মতো। ২০১৮ সালের শেষ দিকে প্রতিষ্ঠার পর চমকপ্রদ ক্যাশ ব্যাক ও মোটা অঙ্কের ছাড়ের অফার দিয়ে ইভ্যালি প্রচুর সংখ্যক গ্রাহক আকৃষ্ট করে। তাদেরই একজন মাসুদ-উর-রহমান। থাকেন রাজধানীর মিরপুরে।

পেশায় একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা।

লাভ ক্ষতির হিসেবটা বুঝেই ইভ্যালিতে পণ্য কিনতে গত এপ্রিলে ২০ লাখ টাকা দেন। চারটি মোটরসাইকেল, একটি ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ কয়েকটি পণ্যের জন্য তিনি এ টাকা দেন। গত জুলাই মাসে একটি ফ্রিজ ও একটি ওভেন ভাগ্যক্রমে পেয়েছিলেন মাসুদ। তারপর আর কোন পণ্যই পাননি তিনি। উচ্চশিক্ষিত একজন মানুষ হয়ে সচেতন হলেন না কেন জানতে চাইলে মাসুদ বলেন, ‘গত জুনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পণ্য বুঝে টাকা দেয়ার সিদ্ধান্তকে ইভ্যালি স্বাগত জানিয়েছিল।’ সে খবর তো সব গণমাধ্যমই ফলাও করে প্রচার করে।

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জের মতো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতারণা নিয়ে সন্দেহ শুরুর পরও তো বিজ্ঞাপনের কমতি ছিল না। প্রভাবিত হব না কেন? এ গ্রাহক উল্টো প্রশ্ন করলেন লেনদেনের গেট কিপিং নিয়ে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের লেনদেন ও তাদের ঘাটতি সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক কি আগে থেকে কিছু জানত না? আমরা সচেতন, শিক্ষিত বিনিয়োগকারী হলেও নিশ্চয়ই রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের চেয়ে বেশি জানা মানুষ নই। আর আগে কয়েক দফায় লাভবান হয়েছি, তাই বেশি বিনিয়োগে লোভ হবে, সেটাই তো খুবই স্বাভাবিক।

হাজারো প্রতারিত গ্রাহকের মধ্যে যেমন শিক্ষিত সচেতন লোভে পড়া গ্রাহক আছে, তেমনি আছে রফিকুল ইসলামের মতো গ্রাহক। যিনি নিজেই কাজ করেন একটি বেসরকারী ব্যাংকে। নানা রকম জালিয়াতির ঘটনার সমাধান তার নিজের কাজের অংশ। সেই রফিকুল ইসলাম প্রতারিত হন ৩৫ শতাংশ লাভের টোপে।

২ লাখ ৩১ হাজার টাকার ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের বাজারমূল্য ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, অর্থাৎ প্রায় দেড় লাখ টাকা কম মূল্যে কেনার সুযোগ পেয়ে লোভ সামলাতে পারেননি। বাজারমূল্য থেকে অনলাইনে পণ্যের দাম এত কম, এতে সন্দেহ না হয়ে উল্টো লোভে পড়েন কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, কয়েকজন সহকর্মী ও বন্ধু লাভবান হয়েছেন। তখন থেকে মনে হয়েছে, ঝুঁকি না নিলে লাভের আশা নেই।

নিজের চেয়ে কম বেতন পাওয়া দুএকজন তো রীতিমতো কমমূল্যে কিনে বেশি দামে বিক্রি করে চাকরির মাসিক বেতনের চেয়ে বেশি টাকা পেয়েছেন। সেখানে তিনি একটি বাইক অর্ডার করেছিলেন নিজের জন্য।

হঠাৎ গজিয়ে উঠা ই-কমার্স কোম্পানিগুলোতে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রতারণার শিকার হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। যাদের একটা বড় অংশই মোটরসাইকেল অর্ডার দিয়েছিলেন। মোটা অঙ্কের মূল্যছাড়ের অফার পেয়ে ঢাকার একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ নাবিদ রহমান গত মার্চ মাসে দুটি মোটরসাইকেলসহ আরও কিছু পণ্যের জন্য ধামাকা নামের একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়েছিলেন।

পরের তিন সপ্তাহের মধ্যে তাকে পণ্যগুলো সরবরাহের কথা বলা হয়েছিল। তারপর আর একটি পণ্যও পাননি নাবিদ। দৈনিক বিজয? বাংলাদেশকে জানান, ‘গত তিন মাসে আমি কয়েকবার ধামাকার অফিসে গিয়েছি। কিন্তু বরাবর সেটি বন্ধ ছিল। আর ফোন করলেও তারা নানা কথা বলে ঘুরাতে থাকে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তথ্য অনুসারে, ব্যাপক মূল্যছাড়ের বিভিন্ন অফার দিয়ে আকৃষ্ট করে ধামাকা প্রায় ৫ লাখ গ্রাহকের কাছ থেকে ৮০৩ কোটি টাকার বেশি অগ্রিম নিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক রোমানা হক বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পদের চেয়ে যদি দেনা বেশি থাকে, তাহলে তো গ্রাহকদের টাকা ফেরত পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে যায়। এ ছাড়া মামলার তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণেও গ্রাহকেরা হয়রানির শিকার হন। তারা আর টাকা ফেরত পাবেন না।

এদিকে মূল্যছাড়ের অফারগুলোতে উৎসাহিত হয়ে অনেক গ্রাহক আবার বিনিয়োগকারীতে পরিণত হয়েছেন। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে পণ্য কিনে যারা সেগুলো লাভে বিক্রি করেন। কিন্তু সবার পক্ষে তা করা সম্ভব হয়নি। একটা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষের শিক্ষার্থী অদ্বিত হোসেন ৭টি মোটরসাইকেল ও কিছু গিফট ভাউচারের জন্য গত মে মাসে ই-অরেঞ্জে প্রায় ১৪ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়েছিলেন।

অদ্বিত দৈনিক বিজয় বাংলাদেশকে বলেন, তারা (ই-অরেঞ্জ) ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এরপর গত জুলাই মাসে কিছু গিফট পণ্য পেলেও একটি মোটরসাইকেলও পাননি তিনি। ই-অরেঞ্জকে অগ্রিম অর্থ পরিশোধের জন্য অদ্বিত তার নিজের মোটরসাইকেলটি বিক্রি করে দেন। ৩ লাখ টাকা ধার করেন বাবার কাছ থেকে। আর বাকি টাকাটা জোগাড় করেন এক আত্মীয়ের কাছ থেকে। এই শর্তে যে, ই-অরেঞ্জ থেকে মোটরসাইকেলগুলো পাওয়ার পর সেগুলো পুনরায় বিক্রি করে লাভের টাকা তারা ভাগাভাগি করে নেবেন।

দিনাজপুরের বিরামপুরের আব্দুল বারেক। লোভনীয় অফার দেখে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জে পণ্য ক্রয়ের নামে বিনিয়োগ করেন ৭০ লাখ টাকা। কিন্তু আজ অবধি টাকা ফেরত দূরে থাক একটি পণ্যও হাতে পাননি। শুধু বারেকই নন, গুলশানের ওয়াহেদুল আলম বিনিয়োগ করেছেন ৪৭ লাখ টাকা। পাবনার চাটমোহরের আমিনুল ইসলাম দিয়েছেন ৪০ লাখ টাকা। পণ্য বা টাকা ফেরত কোনটিই না পেয়ে এখন দিশাহারা তারা। কিভাবে অর্থ উদ্ধার করা যায় সেই ভাবনায় দিন পার করছেন।

এখন দ্বারস্থ হয়েছেন উচ্চ আদালতের। তাদের মতো ৩৩ জন বিনিয়োগকারী এক রিট আবেদনে অর্থ ফেরত চেয়ে আদালতে আইনী লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হবে চলতি সপ্তাহে। রিটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বাংলাদেশে বিদ্যমান ১০০০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকাও যুক্ত করা হয়েছে।

জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম দৈনিক বিজয় বাংলাদেশকে বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। তাই এ ধরনের কর্মকা-ে যাদের সম্পৃক্ততা আছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা যদি নেয়া যায় তাহলে আশা করা যায়, এ প্রবণতা কিছুটা হলেও কমে আসবে।’

 

আরো পড়ুন

এই জাতীয় আরো খবর

Back to top button