চট্টগ্রামলিড নিউজ

পতেঙ্গা বিচে প্রবেশে লাগবে টিকিট

ডেস্ক রিপোর্ট:

বদলে যাবে নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের প্রায় ছয় কিলোমিটার এলাকা। এর সঙ্গে যুক্ত হবে ইপিজেডের সাগরপাড় এলাকার প্রায় ৩৫ একর জায়গা। দু’টি জোনে ভাগ করে পতেঙ্গা এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে যাতে থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। জোন ওয়ানের আওতাধীন পতেঙ্গা বিচ এলাকায় বিভিন্ন রাইড এবং জোন টু’তে থাকবে ওয়াটার রাইড। নির্ধারিত প্রবেশমূল্য দিয়ে পর্যটকদের সমুদ্র সৈকতে প্রবেশ করতে হবে। তবে বিচের কিছু জায়গা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

পতেঙ্গা থেকে ফৌজদার পর্যন্ত চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ‘চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের আওতায় দরপত্রের মাধ্যমে সিডিএ কর্তৃক ইজারাদার নিয়োগের অনুমতি দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গত অক্টোবরের শেষের দিকে এ অনুমতি দেয়া হয়। সিডিএ সূত্রে জানা যায়, সিডিএ থেকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়- ‘চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের আওতায়’ পতেঙ্গা সি-বিচ এলাকার নির্ধারিত স্থানে পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন, উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং উক্ত পর্যটন কেন্দ্র থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সিডিএ কর্তৃক ইজারাদার নিয়োগের অনুমতি নির্দেশক্রমে প্রদান করা হলো।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শাম্স বলেন, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের ছয় কিলোমিটার এলাকাকে আমরা উন্নত করার উদ্যোগ নিয়েছি। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পর্যটকদের জন্য সেখানে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা থাকবে এবং সম্প্রতি মন্ত্রণালয় থেকে টেন্ডার আহ্বানের জন্য অনুমতি পেয়েছি। পতেঙ্গা বিচের ছয় কিলোমিটার এবং ইপিজেডের সাগরপাড় এলাকার প্রায় ৩৫ একর জায়গা নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, এখনো মানুষ বিনোদনের জন্য পতেঙ্গায় ছুটে আসে। কিন্তু পুরো বিচে কোথাও চেঞ্জিং রুম এবং ওয়াশরুম (টয়লেট) না থাকায় পর্যটকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এসব কিছু বিবেচনায় নিয়ে আমরা পতেঙ্গা বিচকে আধুনিক করার উদ্যোগ নিয়েছি। একইসাথে ছয় কিলোমিটার দূরে আরো একটি জোন করেছি। জোন ওয়ানে পতেঙ্গা বিচ এবং ইপিজেড এলাকার একটি অংশ জোন টু’য়ের আওতাধীন থাকবে।

পতেঙ্গাকে ঘিরে কী কী পরিকল্পনা রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধান প্রকৌশলী বলেন, মূলত এ দু’টি জোন ভাগ করে আমাদের পরিকল্পনা। সেখানে বেসরকারি অপারেটর নিয়োগ করা হবে। বেসরকারি অপারেটররা তাদের ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান দিবে। এখানে যাবতীয় খরচ বেসরকারি অপারেটররা করবে এবং তাদের লভ্যাংশ থেকে সিডিএকে একটি অংশ দিবে। প্রথম ছয় কিলোমিটারের মধ্যে প্রবেশ করতে টিকিট লাগবে। তবে মাঝখানের কিছু জায়াগা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ওখানে প্রবেশের সময় টিকিট লাগবে না। জোন ওয়ান এবং জোন টু, মোট দু’টি জোন থাকবে। জোন ওয়ান পতেঙ্গা বিচ এলাকায় যেখানে বিভিন্ন রাইড থাকবে এবং জোন টু’তে ওয়াটার রাইডগুলো থাকবে। ইজারাদারদের প্ল্যান অনুযায়ী তারা ডিজাইন করবে। তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো প্রস্তাব গ্রহণ করে তাকে কার্যাদেশ দিব। যাতে দ্রুত আমাদের প্রকল্প শেষ করতে পারি।

এই জাতীয় আরো খবর

Back to top button