চট্টগ্রামপরিবেশ ও আবহাওয়াসারাদেশ

পৌরসভার ক্যালিওগ্রাফী গুলো স্থান করে নিয়েছে ফেনী বাসীর অন্তরে

অসাম্প্রদায়িক ফেনী-২ আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি ও হাজী আলাউদ্দিন নিজেদের সমকালকে মহাকালের গর্ভে ঠেলে দিয়েছেন কয়েকটা ক্যালিওগ্রাফী স্থাপনের মাধ্যমে। পীর পাগলা হযরত আমির উদ্দিন পাগলা মিয়ার স্মৃতি ধন্য জেলা শহর ফেনীর ইসলামিক ঐতিহ্য উর্ধে তুলে ধরতে মরিয়া ফেনীর এই দুই গ্রেট। আর্টিফিসিয়াল খেজুর চত্ত্বর ও দোয়েল চত্ত্বরের মাধ্যমে তৎকালীন মেয়র নিজাম উদ্দিন হাজারী ফেনীবাসীর অন্তরে বেচেঁ থাকবেন বহুদিন। একইভাবে রামপুর রাস্তার মাথায় স্থাপিত দৃষ্টিনন্দন “আল্লাহ ও মোহাম্মদ (সঃ)” খঁচিত ক্যালিওগ্রাফী ও মহিপাল বিজয় সিংহ রাস্তার মাথায় (স্বপন মিয়াজীর বাড়ির সামনে) স্থাপিত আরও একটি ক্যালিওগ্রাফী হাজী আলাউদ্দিনকে ঠেলে দিয়েছে অনন্তকালের দূরত্বে।ইসলামের প্রতি দুর্ণিবার আকর্ষণে জাগ্রতবোধ ও উপলব্ধি থেকে শহরের উত্তারাংশে বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মোড়ে নির্মাণাধীন আরো একটি দৃষ্টিনন্দন ক্যালিওগ্রাফী অচিরেই উদ্বোধনের পথে। শহরের সৌন্দর্য বর্ধন, ইসলামী ঐতিহ্য ও ধর্মানুভূতির জ্বলন্ত সাক্ষ্য হয়ে থাকবে এইসব স্থাপনা।ফেনী পৌরসভাকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করার পিছনে তৎকালীন মেয়র নিজাম উদ্দিন হাজারীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। আধুনিক ধ্যান-ধারনা সম্পন্ন রুচিশীল এই মানুষটি ফেনী পৌরসভার নান্দনিক শোভা বর্ধনে নতুন নতুন আইডিয়া প্রণয়নের মাধ্যমে ফেনীর পৌর প্রশাসনকে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। যৌক্তিক এসব পরামর্শে পৌরসভার একজন দক্ষ পরিকল্পনাবিধ ও নগরবিদের ভূমিকায় নিজাম হাজারী এমপিকে পেয়ে দারুণ প্রাণিত। কেননা, সাংসদ নিজাম হাজারীর পরামর্শে শহরের রাজপথে ডিভাইডার বসিয়ে যানজট নিয়ন্ত্রণ বহুলাংশে সম্ভব হয়েছে। একেই সাথে ডিভাইডারের মাঝে রোপিত সবুজ প্রকৃতি মানুষের অক্সিজেনের অভাব দূর করে চলেছে।পাশাপাশি শহরের মাঝে শ্যামল প্রকৃতি শহরের মানুষ ও পর্যটকের দৃষ্টি আকর্ষিত করছে। এক কথায় বলা যায়, ভাললাগা ও ভালোবাসার শহর ফেনী অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে দারুণ ঝরঝরে ও ফুরফুরে আবেশে দ্বেদীপ্যমান শিখার মতো উদ্ভাসিত।

এই জাতীয় আরো খবর

Back to top button