খাদ্য ও পুষ্টিঢাকাসারাদেশ

মধুখালীতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি, মৌসুমী ফল ক্রেতার নাগালের বাইরে

হৃদয় শীল মধুখালী প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালীতে পবিত্র রমজান মাসে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সকল প্রকার সবজি। মধুখালী বাজার সহ উপজেলার সকল বাজারে সবজির এরকম চড়া মূল্য থাকায় নাভিশ্বাস উঠেছে ক্রেতাদের।

রোববার মধুখালী বাজারে দেখা যায়, প্রতিকেজি আলু ২০ টাকা, করোলা ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা,গোল বেগুন ১শত টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১শত টাকা কেজি, কচুর লতি ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা,পুঁইশাক ২০ টাকা,শশা ৬০ টাকা,মূলা ৪০ টাকা, কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি সাইজের লাউ ৪০ টাকা,দুধ প্রতি কেজি ৮০টাকা।

সবজি বিক্রেতা আবুল হোসেন জানান, আড়তে বা মোকামে দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদেরকে চড়া দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মধুখালী উপজেলার কয়েকটি এলাকা যেমন মেগচামী,গাজনা ,বেলেশ্বর, মধুপুর,শিবপুর,কলাগাছি,নওপাড়া, ব্যাসদী, কামারখালী,ডুমাইন এলাকায় সবজির চাষ হয়ে থাকে। এখন ঐসব এলকায় কম পরিমানে সব সবজি রয়েছে। তারপও পাশ্ববর্তী মাগুরা ,ঝিনাইদহ হতে সবজি আমদানি করতে হচ্ছে। দাম চড়া হওয়ার কারনে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠেছে।

এ ছাড়া রমজান মাসে মৌসুমী ফল বাঙ্গি,তরমুজের চাহিদা থাকে বেশি। তরমুজ ৫৫ টাকা কেজি,ছোট একটি তরমুজ আড়াই থেকে সাড়ে ৩ কেজী প্রায় ২শ টাকা এবং মাঝারি সাইজের বাঙ্গি ৬০ ,একটু বড় সাইজের বাঙ্গি ১শত ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৪ টি লেবু ৩৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
মথুরাপুর গ্রামের আমির হোসেন নামের এক ক্রেতা জানান, বাজারে সবজির মূল্য বেশি হওয়ায় ক্রেতাদের বাজার করতে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে।

মেগচামী ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের সবজি চাষী সুনিত বিশ্বাস বলেন, সারা বছরই কোন না কোন সবজির চাষ করি। তবে অন্য সময়ের তুলনায় বর্তমানে সবজির দাম একটু বেশি। এত করে আমার মত চাষীরা বেশি লাভবান হবে।

মধুখালী বাজার বণিক সমবায় সমিতিরি সভাপতি আবুল বাশার বাদশা বলেন, বাজারে যথেষ্ট পরিমানে সবজির আমদানি হয়ে থাকে। তারপরও দাম বেশ চড়া।

উপজেলা কৃষি অফিসার আলভী রহমান বলেন পরিবহন সংকটের কারনে দাম বাড়ছে। এছাড়া যথেষ্ট সরবরাহ কম থাকলে অনেক সময় সিন্ডিকেট তৈরীর কারনে দাম বেড়ে যায়।

এই জাতীয় আরো খবর

Back to top button