আক্রান্ত

৭৭৫,০২৭

সুস্থ

৭১২,২৭৭

মৃত্যু

১১,৯৭২

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
কৃষি ও জীবনচট্টগ্রামসারাদেশ

মাল্টা ও আনারস চাষে স্বপ্ন দেখছেন সাংবাদিক মাসুদ রানা জয়

মোঃ রেজাউল করিম, মাটিরাঙ্গা ( খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি : খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়নের তুলাতুলী গ্রামের মোঃ সাহেব আলী মাস্টারের ছেলে মোঃ মাসুদ রানা জয়। সাংবাদিকতার পাশাপাশি অবসর সময়কে কীভাবে কাজে লাগিয়ে সাবলম্বি হওয়া যায় তা নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। এ ভাবনা থেকে মনোনিবেশ করেন আনারস ও মাল্টা চাষে এগিয়ে এসেছেন। কারণ মাল্টা ভিটামিন ‘সি’সমৃদ্ধ একটি ফল। এফল যেমন সুস্বাদু,তেমনি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। তা ছাড়া দেশের চাহিদা পূরণে মাল্টা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। মাল্টা ও আনারস চাষাবাদ যেহেতু দেশেই বেশ কিছু এলাকায় চাষে বিস্তার লাভ করেছে। আবার অনেকেই মাল্টা ও আনারস চাষ করে সফলতার মুখ দেখছেন,সেই অনুপ্রেরণা থেকে মাল্টা ও আনারস চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি।

সাংবাদিক মাসুদ রানা জয় পার্বত্যবাংলা টিভির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচলক, পার্বত্যচট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের পাহাড় ও ডেইলি হিল স্টেড পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। জাতীয় দৈনিক সূর্যদয় পত্রিকার পার্বত্যচট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ও ইংরেজী দৈনিক দি ডেইলি স্টেড পত্রিকায় খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি এবং মাটিরাঙ্গা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি করোনাকালে সময় কাটছিল না সাাংবাদিক মাসুুদ রানা জয়ের যখন অলস সময় পার করছেন, তখন তিনি বাড়িতে লেখালেখির পাশাপাশি নিয়মিত মাল্টা চাষে মনোযোগী হয়ে ওঠেন। তিনি ২০২০ সালের জুন মাসে প্রথমে ২ একর জমিতে মাল্টা ও আনারস ৮ হাজার চারা রোপণ করেন। । তা ছাড়া মাল্টা ও আনারস গাছের পাশাপাশি মিশ্রণ বাগান হিসেবে ২৫০টি কমলা ছারা রোপণ করেন। বাগান দুটি নিয়মিত পরিচর্যা করেই যাচ্ছে।

সাংবাদিক মাসুদ রানা জয় বলেন, মাল্টা বিদেশি ফল হলেও আমাদের দেশে চাষ করে অনেকেই সাফল্য পেয়েছেন। আর সেই অনুপ্রেরণা থেকেই এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছে। পরিপক্ব একটি মাল্টা গাছে ৪০০- ৫০০ পিস মাল্টা আশা করতে পারি ।১৮মাস বয়সী মাল্টা গাছে ফল আসে এবং গাছটি তিন বছর হলে পরিপূর্ণতা আসে।মাল্টা বাগানের প্রতি উদ্যোগী হওয়া দেখে স্থানীয় কৃষি বিভাগ আমাকে উৎসাহ দেয়। তারা একটি স্প্রে মেশিন,বিনামূল্যে চারা,সার ও কিছু ওষুধও দেয়েছে।কৃষি বিভাগের এ উৎসাহের কারনে আমাকে মাল্টা ও আনারস বাগান চাষে আরও বেগবান হতে পেরেছি।আমি এখন সাংবাদিকতার পাশাপাশি মাল্টা ও আনারস চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছি।দীর্ঘদিন থেকেই ইচ্ছা ছিল মাল্টা ও আনারসের বাগান করার।এখন করোনা মানুষকে নতুন করে সচেতন হতে শিখিয়েছে।আমি করোনাকালীন সময়ে সেই দীর্ঘদিনের ইচ্ছাটা পূরণ করতে সক্ষম হই। এখন পুরোটা সময় সাংবাদিকতার পাশাপাশি মাল্টা বাগানে কিছুটা সময় ব্যয় করছি।

একটি পূর্ণ বয়স্ক মাল্টা গাছে প্রায় ৪০কেজি মাল্টা পাওয়া যায়। পাইকারি ৬০টাকা কেজি দরে বিক্রয় করলে প্রতি গাছ থেকে দুই হাজার ৪০০টাকার মাল্টা বিক্রি করা যাবে। সে হিসাবে দুটি বাগান থেকে নয় লাখ ৬০ হাজার টাকার মাল্টা বিক্রি করা যাবে। আনাারসের ৮ হাজার গাছ থেকে প্রতিি বছর ২ লাখ টাকার আনারস বিক্রয় করা যাবে।তবলছড়ি ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নূূর মোহাম্মমদ বলেন , সাংবাদিক মাসুদ রানা জয় আমাদের কৃষি বিভাগের পরামর্শক্রমে মাল্টা ও আনারস বাগান করছেন।

তবে মাল্টার পাশাপাশি তিনি মিশ্র বাগান হিসাবে কমলা গাছও রোপণ করেছেন।আমরা তাকে মাল্টা চারাসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সহযোগিতা করছি।এছাড়াও নিয়মিত তার বাগানের খোঁজখবর রাখছি। আশা করছি,তার বাগান দুটি যদি নিয়মিত পরিচর্যা করেন, তাহলে সময়মতো ভালো ফলন আসবে।

এই জাতীয় আরো খবর

Back to top button